ষাট গম্বুজ মসজিদ
দর্শনীয় স্থান · সুন্দরঘোনা, ষাটগম্বুজ
এখনো রিভিউ নেই
এখন বন্ধ · খুলবে সকাল ১০টাপনের শতকে খান-উল-আযম উলুঘ খানজাহান (খানজাহান আলী) নির্মিত বলে ধারণা করা হয় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আয়তাকার প্রাচীন মসজিদটি; নাম ষাটগম্বুজ হলেও প্রকৃত গম্বুজ ৮১টি (এর মধ্যে ৭টি চৌচালা)। গম্বুজগুলো ৬০টি স্তম্ভের ওপর দাঁড়ানো, দেয়াল ও মিহরাবে পোড়ামাটির অলংকরণ রয়েছে; এটি এখনো নিয়মিত নামাজের মসজিদ। ১৯৮৫ সালে 'ঐতিহাসিক মসজিদের শহর বাগেরহাট' নামে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত।
যাওয়ার আগে
- টিকিট
- একই টিকিটে ষাটগম্বুজ মসজিদ প্রাঙ্গণ ও বাগেরহাট জাদুঘর: দেশি ৳৩০, সার্কভুক্ত দেশের পর্যটক ৳২০০, অন্যান্য বিদেশি ৳৫০০; মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থী ৳১০; প্রাথমিক স্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে, পাঁচ বছরের কম শিশুর টিকিট লাগে না। টিকিট মেলে এন্ট্রি কমপ্লেক্সের কাউন্টারে বা অনলাইনে (eticketing.mygov.bd)।
- কীভাবে যাবেন
- বাগেরহাট শহর থেকে খুলনা–বাগেরহাট মহাসড়ক ধরে প্রায় ৭ কিমি পশ্চিমে, মহাসড়কের ষাটগম্বুজ বাসস্টপের পাশেই; শহরের বাসস্ট্যান্ড থেকে রিকশায় আসা যায়। খুলনা থেকে বাগেরহাটগামী বাস বা সিএনজিতে ষাটগম্বুজ স্টপে নামুন (সময় প্রায় ১–১.৫ ঘণ্টা)। এন্ট্রি কমপ্লেক্স থেকে টিকিট নিয়ে ঢুকলে ডানে জাদুঘর, আর প্রায় ১৫০ মিটার উত্তর-পশ্চিমে মসজিদ।
- কখন ভালো
- রবিবার বন্ধ, সোমবার শুধু দুপুরের পর খোলে—মঙ্গল থেকে শনিবার সকালে যাওয়া সুবিধাজনক। ঈদের ছুটিতে প্রচুর ভিড় হয় (২০২৫ সালের ঈদে ৫ দিনে প্রায় ৩১ হাজার ৭৬০ দর্শনার্থী)।
রিভিউ
আপনার অভিজ্ঞতা জানান
রিভিউ দিতে অ্যাকাউন্ট লাগবে, যাতে ভুয়া রিভিউ কম হয়। মোবাইল নম্বর দিয়ে এক মিনিটে খোলা যায়।
লগইন করে রিভিউ দিনএখনো কোনো রিভিউ নেই।