বাগেরহাটের রিয়েল স্টোরি

ছয়শো বছরের পুরনো খলিফাতাবাদ থেকে একাত্তর পর্যন্ত, বাগেরহাটের নয় উপজেলার সত্যি গল্প। প্রতিটি গল্পের নিচে তথ্যসূত্র আছে, আর কোনটা প্রমাণিত ইতিহাস আর কোনটা লোকমুখে প্রচলিত জনশ্রুতি, তা আলাদা করে লেখা।

চিতলমারী

৫টি গল্প
নীলকুঠির পাথর থেকে বাঁধ কাটা: বাগেরহাটের কৃষক-জেলের প্রতিবাদমোড়েলগঞ্জের রহিমুল্লাহর লড়াই সবার জানা। কিন্তু চিতলমারীর নীলকুঠি, মোল্লাহাটের জেলেদের সুতার আন্দোলন আর শরণখোলার কৃষকদের বাঁধ কাটাও বাগেরহাটের প্রতিবাদের ইতিহাসের অংশ।প্রমাণিত ইতিহাসচিতল মাছের চিতলমারীজনশ্রুতি বলে, মধুমতি, চিত্রা ও বলেশ্বরের মিলনস্থলে জেলেরা এত চিতল মাছ ধরতেন যে জায়গার নামই হয়ে যায় চিতলমারী। নদীর তীরের চালের বাজার থেকে কীভাবে উপজেলা হলো, সেই গল্পও আছে।লোককথা / জনশ্রুতিঅশ্বিনী গোঁসাইয়ের গান আর গঙ্গাচন্নার সেবাশ্রমমতুয়া সংগীতের অন্যতম প্রধান রচয়িতা অশ্বিনী গোঁসাইয়ের স্মৃতিতে চিতলমারীর গঙ্গাচন্নায় গড়ে উঠেছে একটি সেবাশ্রম। চাষি থেকে সাধক-কবি হয়ে ওঠা এই মানুষটির গান আজও ভক্তদের কণ্ঠে।ইতিহাস ও জনশ্রুতিদশমহলের ২০ জুন: খলিশাখালী আর হোগলাবনভারতে যাওয়ার পথে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীতে ভরা দশমহলে ১৯৭১ সালের ২০ জুন চার দিক থেকে গানবোট আর স্থলপথে হামলা চালায় পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকাররা। খলিশাখালী আর খড়মখালীর হোগলাবনে প্রাণ যায় বহু মানুষের।প্রমাণিত ইতিহাসনয় মাসের মুক্তাঞ্চল চিতলমারীবাগেরহাট শহর শত্রুর দখলে গেলেও চিতলমারী একাত্তরের প্রায় পুরো সময় মুক্তাঞ্চল ছিল। বাম ও আওয়ামী রাজনীতির কর্মী, স্থানীয় বাহিনী, গ্রামের নারীরা আর এক প্রবীণ জনপ্রতিনিধি মিলে গড়েছিলেন এই প্রতিরোধ।প্রমাণিত ইতিহাস